ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জবাজারের তথ্য লোড হচ্ছে

● Live
We are delighted to launch the new DSE website, designed to provide an enhanced digital experience. As we continue to improve and update the website, we welcome your valuable comments, suggestions, and feedback at web@dse.com.bd.
ডিএসই সম্পর্কে

সাসটেইনেবিলিটি

স্টক এক্সচেঞ্জের টেকসইতা বিশ্ব অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে ক্রমশ স্বীকৃতি পাচ্ছে। পরিবেশ, সমাজ ও সুশাসন (ইএসজি) সংক্রান্ত বিষয়গুলো গুরুত্ব পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্টক এক্সচেঞ্জগুলো টেকসই বিনিয়োগ চর্চাকে উৎসাহিত করতে তাদের কার্যক্রম নতুনভাবে সাজাচ্ছে। মূলধন সংগ্রহ, বিনিয়োগ সহজীকরণ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে স্টক এক্সচেঞ্জ একটি অপরিহার্য প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে। ঐতিহ্যগতভাবে এদের মূল মনোযোগ ছিল আর্থিক কর্মক্ষমতার দিকে। তবে জলবায়ু পরিবর্তন ও সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে সচেতনতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের মূল কার্যক্রমে টেকসইতাকে যুক্ত করার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (ডিএসই) বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতামূলক চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে টেকসই চর্চা জোরদারে কাজ করছে। এ প্রেক্ষাপটে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে টেকসই চর্চা ছড়িয়ে দিতে ডিএসই গ্লোবাল রিপোর্টিং ইনিশিয়েটিভ এবং ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি)-এর সঙ্গে সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। টেকসই বিনিয়োগ প্রসারে এবং ইএসজি বিষয়ে আলোচনা এগিয়ে নিতে ডিএসই সাসটেইনেবল স্টক এক্সচেঞ্জেস (এসএসই) ইনিশিয়েটিভের সঙ্গেও অংশীদারিত্ব চুক্তি করেছে। এই ইনিশিয়েটিভে যুক্ত হয়ে ডিএসই নিজেকে বৈশ্বিক সর্বোত্তম চর্চার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ করেছে এবং দায়িত্বশীল লেনদেন ও বিনিয়োগ নীতির প্রতি তার অঙ্গীকার আরও দৃঢ় করেছে। এসএসই ইনিশিয়েটিভের সদস্য হিসেবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি তার বাজার পরিচালনায় টেকসইতা যুক্ত করা এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে স্বচ্ছ ইএসজি চর্চা গ্রহণে উৎসাহিত করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। এই সদস্যপদ ডিএসইকে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে নিবেদিত সমমনা এক্সচেঞ্জ ও অংশীজনদের নেটওয়ার্কে প্রবেশাধিকার দেয়। স্টক এক্সচেঞ্জের টেকসইতা কেবল একটি নৈতিক দায়িত্ব নয়; এটি এখন ব্যবসায়িক প্রয়োজনীয়তায় পরিণত হচ্ছে। বিনিয়োগকারীরা যত বেশি দায়িত্বশীল বিনিয়োগের সুযোগ চাইছেন, টেকসইতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া স্টক এক্সচেঞ্জগুলোই আর্থিক অঙ্গনে নেতৃত্ব দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্বচ্ছতা ও টেকসই চর্চার প্রসার ঘটিয়ে এসব প্রতিষ্ঠান একটি অধিকতর টেকসই বৈশ্বিক অর্থনীতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।